ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে ও কমতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৬-১১ ১০:২০:৩৯
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে ও কমতে পারে। বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে ও কমতে পারে।

জি এম শাওন
দেশের বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের সব স্তরের মূল্যসীমা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে নিকোটিন পাউচ, সিগারেটের ফিল্টার তৈরির কাঁচামালের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো হতে পারে। এর ফলে সিগারেট ও নিকোটিনজাত পণ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে উৎপাদিত অ্যালকোহলের ওপর লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এতে এ ধরনের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এ ছাড়া কাজুবাদাম আমদানির শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। ফলে আমদানিকৃত কাজুবাদামের বাজারদর বাড়তে পারে। দেশীয় উৎপাদকদের সুরক্ষায় কাজুবাদাম আমদানির শুল্ক ১ ও ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। ফলে আমদানি করা কাজু বাদামের দাম বাড়তে পারে। বিলাসবহুল পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলচালিত গাড়ির করভারও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে ১২০০ থেকে ১৬০০ সিসি ক্ষমতার গাড়ির করহার বৃদ্ধি ও অগ্রিম আয়কর দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দেশীয় মদের উৎপাদন পর্যায়ে প্রতি লিটারে ৫০০ টাকা সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) আমদানির ক্ষেত্রে সার্বিক শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব থাকতে পারে বাজেটে। বর্তমানে ইভির ক্ষেত্রে কর ভার প্রায় ৯৩ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইভিতে ৬৪ শতাংশ এবং ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত দামের ইভির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ শুল্ক-কর হারের প্রস্তাব আসতে পারে। বৈদ্যুতিক গাড়ির নিবন্ধন ও ফিটনেস নবায়নের সময় অগ্রিম কর কেটে রাখা হয়। সেটিও কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এছাড়া রড ও ইস্পাতজাত কিছু পণ্যে নির্দিষ্ট ভ্যাট বাড়ানো, আমদানি করা পাঙাশ ফিশ ফিলেটে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ, হেলিকপ্টারের ওপর বার্ষিক অগ্রিম আয়কর এবং জুয়ার আয়ের ওপর করহার ২০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাবও রয়েছে।



বাজেটে কমতে পারে যেসব পণ্যের দামঃ
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও দেশীয় শিল্পায়নের লক্ষ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য, কৃষি উপকরণ, চিকিৎসা সামগ্রী, প্রযুক্তিপণ্য ও পরিবেশ বান্ধব যানে কর ও শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে উল্লেখযোগ্য হারে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।


কমতে পারে এমন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে মধ্যে রয়েছে:- ​​চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, চিনি, ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি জরুরি খাদ্য ও কৃষিপণ্য। ইলেকট্রনিকস ও গৃহস্থালি সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে:- দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন, ব্লেন্ডার ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স।


প্রযুক্তি তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের মধ্যে রয়েছে:-
কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, মনিটর ও মোবাইল ফোনের স্থানীয় সংযোজন ও আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট ছাড়েরে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে:- বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের ব্যবহার্য পণ্য, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও চিকিৎসা যন্ত্রপাতি। যানবাহন ও বিদ্যুৎ খাতের মধ্যে রয়েছে:- পরিবেশ বান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি), ই-বাইক ও সৌরবিদ্যুৎ সোলার এনার্জি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Banglar Alo News Admin

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ